বিছানায় নারী !!!!
বিছানায় অন্তত ১০টি রূপ দেখা যায় নারীর। জেনে নিন ১০ টি রুপ……।
১. নারী, নাকি “ডেড বডি”
– নিষ্ক্রিয়ভাবে শুয়ে থাকেন তিনি। ঠিক যেন মৃতদেহ। যৌনক্রিয়ায় কোনওরকম যোগদান নেই তাঁর। সুখ খুঁজে নেওয়ার দায়িত্ব একা পুরুষের। সঙ্গী যে সত্যি কোনও মৃতদেহের সঙ্গে সহবাস করছেন না, সেই ভুল ভাঙানোর জন্যে মাঝেমধ্যে মুখ দিয়ে আওয়াজ করেন এই নারী। তবে আসল কথা হল, এমন যৌনতায় উভয়পক্ষের কারোরই সুখ লাভ হয় না। নারীর এমন নিষ্ক্রিয়তা যৌনক্রিয়ার পুরো আনন্দটাই মাটি করে দেয়। পুরুষরা এমন নারীর সঙ্গে যৌনভাবে মিলিত হতে মোটেই পছন্দ করেন না।
২. মারেন এবং কাটেন, রক্তাক্ত হালত হয় পুরুষের
– অন্তত ডেড বডি হওয়ার চেয়ে ভালো। মারুন, কাটুন, যাই করুন, এই নারী নিষ্প্রাণ নন। বরং পুরুষের স্পর্শে অতিমাত্রায় জেগে ওঠে তাঁর শরীর। এমনই জেগে ওঠার বহর যে কান কামড়ে, পিঠ আঁচড়ে যা তা করতে আরম্ভ করেন।
৩. সিডাকট্রেস
– বেশিরভাগ পুরুষ এমন নারীকেই কামনা করেন মনে মনে। এমন কেউ যিনি যৌনতাকে উপভোগ করতে জানেন। নিজে থেকেই পুরুষের কাছে এগিয়ে আসেন, মিলনের আহ্বান জানান মন খুলে। সেই যৌনসুখ কিন্তু অধরা থাকে না।
৪. অতিমাত্রায় রহস্যময়ী
– এ ধরনের নারী পুরুষকে নানা রূপে কল্পনা করতেই বেশি পছন্দ করেন। এমন কোনও পুরুষ, যাঁর সঙ্গে বাস্তবে যৌনমিলনে বাধা আছে। মোদ্দা কথা হল, সেই সব নারী সেক্স করার সময় পরপুরুষের কথা চিন্তা করে সুখ খুঁজে পান। হাতে দড়ি বেঁধে, চোখ ঢেকে যৌনতা উপভোগ করতেই বেশি পছন্দ করেন।
৫. রোম্যান্টিক নারী
– গোলাপের পাপড়ি ছড়ানো বিছানা, সুগন্ধি মোমবাতি ঘরময় – এমন পরিবেশ হলে এই নারী রাজি। তবে তার জন্য আপনাকে অনেক কসরত করতে হবে। জানবেন, এই নারী খুবই রোম্যান্টিক। হালকাভাবে শুরু করতে হবে প্রথম থেকেই। হামলে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। যৌনসুখে মিলনের চেয়ে ফোর প্লে করাটা অনেক বেশি প্রয়োজনীয় এমন নারীর ক্ষেত্রে। মিলন সমাপ্ত হলে তিনি অতিমাত্রায় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়বেন। তাই চোখ বেয়ে যদি অশ্রু নেমে আসে, আশ্চর্য হবেন না। একদম ঘাবড়ে যাবেন না।
৬. গালাগালি না করলে সুখ নেই
– রোম্যান্টিক টাইপটার চেয়ে একেবারে অন্য ঘরানার যৌনতা পছন্দ এই নারীর। যৌনক্রিয়া চলাকালীন সঙ্গীকে অতিমাত্রায় গালাগালি না করলে সুখ পান না তিনি। তাই অশ্রাব্য বাক্য প্রয়োগে হতবাক হবেন না। ক্রিয়া সমাপ্ত হলে ফের ভদ্রসভ্য আচরণ করতে শুরু করবেন তিনি। খারাপ কথাও বলবেন না।
৭. “ঘোমটার নিচে খ্যামটা নাচ”
– এই নারী সামনাসামনি এমন একটা ভাব করেন যেন, ভাজা মাছটি উলটে খেতে জানেন না। দেখে মনে হবে, সেক্সে ভয়ানক অনীহা। এদিকে সুযোগ পেলেই স্বমূর্তি ধারণ করেন। এমন নারী কিন্তু যৌনজীবনে মারাত্মক রকম সক্রিয়। পুরুষকে রীতিমতো হারিয়ে দিতে পারেন। তাঁকে তুষ্ট করতে কালঘাম ছুটে যায় পুরুষের।
৮. ভিতু নারী
কিছু কিছু ভার্জিন নারীর মধ্যে মারাত্মক যৌনভীতি লক্ষ্য করা যায়। ভার্জিনিটিকে মনে করেন অমূল্য সম্পদ। হারালে জীবন নষ্ট। তার জন্য অবশ্য সমাজ দায়ি। ছোটো থেকে যা শেখানো হয়, তারই প্রতিফলন। তবে কিসিং, স্মুচিং, ফোর প্লে – কোনও কিছুতেই বাধা দেন না। ক্লাইম্যাক্সেই যত “না, না”।
৯. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্দ যৌনতা
শুচিবাইগ্রস্ত নারীর এই এক সমস্যা। ভালো করে পরিষ্কার না হয়ে আসলে কিছুতেই কাছে ঘেঁষতে দেন না। চুমু খাওয়ার আগে ব্রাশ করা মাস্ট। যৌনতার আগে স্নান করতেই হবে। এই নারীর স্মুচে যত আপত্তি। কিছুতেই জিভে জিভ জড়াতে দেন না। এতেই যদি এত অনীহা, তা হলে আসল বেলায় কী কী হতে পারে ভাবুন। ফলে, ওয়াইল্ড যৌনতা পছন্দ করেন যে পুরুষ, তাঁর ভাগ্যে এমন নারী জুটলে, কপাল পুড়ল আরকী!
১০. চিৎকারেই যত সুখ
সামান্য ছুঁলেই চিৎকার শুরু করেন তিনি। মাঝেমধ্যে সেটা উপভোগ্য হলেও, কিছু ক্ষেত্রে নয়। বাড়িতে গুরুজনরা উপস্থিত থাকলে এই নারী সমস্যায় ফেলতে পারেন। অপ্রস্তুত হয়ে পড়তে পারেন, আশপাশের বাসিন্দাদের কাছেও।

Blogger Comment
Facebook Comment