সর্বশেষ খবর:

টিউশনি করাতে গিয়ে পরকীয়ার জালে বন্দী : পরে খুন





জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্র মাহমুদুল হাসানকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন পারভীন আক্তার। এর আগে, গত বুধবার সন্ধ্যায় পারভীন ও তার স্বামী শরিফ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গেছে, শরিফ ও পারভীনের ছেলে ইয়াছিনকে তাদের রাজধানীর ঢাকার বাসায় প্রাইভেট পড়াতেন মাহমুদুল। সেই সূত্রে দুই সন্তানের জননী পারভীন আক্তারের সঙ্গে মাহমুদুলের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে শরিফ ও পারভীনের মধ্যে তুমুল বিরোধ তৈরি হয়। বিরোধের একপর্যায়ে পারভীন তার বাবার বাড়ি চলে যায়। এবং শরিফের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। এ অবস্থায় তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। তবে সম্প্রতি উভয়ের মধ্যে আবার আপস মীমাংসা হলেও পথের কাঁটা হয়ে দাড়ায় মাহমুদুল। সে কারণে পারভীন কয়েকজনকে দিয়ে কৌশলে মাহমুদুলকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামে এনে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। নিহত মাহমুদুল নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সুন্দরখাতা গ্রামের ডা. আবুল হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় ২১শে জুলাই রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজবাড়ী থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রঞ্জন কুমার বিশ্বাস বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শরীফ ও তার স্ত্রী পারভীনকে রাজবাড়ী পৌরসভার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন পারভীন। তাতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। রঞ্জন কুমার বলেন, এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে সাতজন ব্যক্তি জড়িত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তারা জানতে পেরেছেন। তাদেরকেও গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।
    Blogger Comment
    Facebook Comment