
মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামে এক আড়ম্বরপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানে মানুষের ভিড় সামলাতে হিমসিম খেতে হয়েছিল পুলিশ সদস্যদের। ওয়াকিটকি হাতে তাদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আওয়ামী লীগকর্মীরাও নেমে পড়েন পরিস্থিতি মোকাবেলায়।
২০ হাজার অতিথির খাওয়া-দাওয়া চলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে প্রায় সন্ধ্যা পর্যন্ত।
বিয়েটা ছিল সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর মেয়ের, তাই রাজসিক এই আয়োজন। আর এই আয়োজন সফল করতে স্টেডিয়ামের সীমানা প্রাচীর ভাঙা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
মন্ত্রীর দ্বিতীয় মেয়ে সৈয়দা সানজিদা শারমিন এবং লক্ষ্মীপুরের শ্রীরামপুর গ্রামের মোশাররফ পাটোয়ারীর বিয়ে পড়ান মৌলভীবাজার ওলামা লীগের আহবায়ক কাজী কুতুব উদ্দিন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০ লাখ ১ টাকা দেনমোহরে বিয়ের কাবিন হয়েছে।
বিয়েতে ১৫ থেকে ১৮ হাজার মানুষকে খাওয়ানো হবে বলে জানিয়েছিলেন মন্ত্রীর ভাই সৈয়দ সালমান আলী। তবে অনুষ্ঠান ঘুরে এবং বিভিন্নজনের কথা বলে মনে হয়েছে, অতিথির সংখ্যা ২০ হাজারের কম হবে না।
মুসলিম অতিথিদের জন্য পোলাও, রোস্ট ও গরুর রেজালা ছিল। হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য খাসি ও মাছের ব্যবস্থা করা হয়। এ আয়োজনে গত কয়েকদিন ধরেই মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামকে সাজানো হচ্ছিল। স্টেডিয়ামের ভেতরে তৈরি করা হয় পাঁচটি প্যান্ডেল।
অতিথি আপ্যায়নের প্যান্ডেল ছাড়া বর ও কনের প্যান্ডেল করা হয় মুখোমুখি। দুই প্যান্ডেল বিশেষ ব্যবস্থায় শীতল রাখার ব্যবস্থাও ছিল। কনে সানজিদার পরনে ছিল মেরুন রঙের লেহেঙ্গা। বর আসেন বিকাল ৪টায়। পরনে ছিল ক্রিম কালারের শেরওয়ানী।
এই অনুষ্ঠানে কোনো মন্ত্রী বা বড় রাজনীতিক নেতা ছিলেন না। তবে মৌলভীবাজারের সাত উপজেলার বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরা ছিলেন।
২০ হাজার অতিথির খাওয়া-দাওয়া চলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে প্রায় সন্ধ্যা পর্যন্ত।
বিয়েটা ছিল সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলীর মেয়ের, তাই রাজসিক এই আয়োজন। আর এই আয়োজন সফল করতে স্টেডিয়ামের সীমানা প্রাচীর ভাঙা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
মন্ত্রীর দ্বিতীয় মেয়ে সৈয়দা সানজিদা শারমিন এবং লক্ষ্মীপুরের শ্রীরামপুর গ্রামের মোশাররফ পাটোয়ারীর বিয়ে পড়ান মৌলভীবাজার ওলামা লীগের আহবায়ক কাজী কুতুব উদ্দিন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ২০ লাখ ১ টাকা দেনমোহরে বিয়ের কাবিন হয়েছে।
বিয়েতে ১৫ থেকে ১৮ হাজার মানুষকে খাওয়ানো হবে বলে জানিয়েছিলেন মন্ত্রীর ভাই সৈয়দ সালমান আলী। তবে অনুষ্ঠান ঘুরে এবং বিভিন্নজনের কথা বলে মনে হয়েছে, অতিথির সংখ্যা ২০ হাজারের কম হবে না।
মুসলিম অতিথিদের জন্য পোলাও, রোস্ট ও গরুর রেজালা ছিল। হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য খাসি ও মাছের ব্যবস্থা করা হয়। এ আয়োজনে গত কয়েকদিন ধরেই মৌলভীবাজার স্টেডিয়ামকে সাজানো হচ্ছিল। স্টেডিয়ামের ভেতরে তৈরি করা হয় পাঁচটি প্যান্ডেল।
অতিথি আপ্যায়নের প্যান্ডেল ছাড়া বর ও কনের প্যান্ডেল করা হয় মুখোমুখি। দুই প্যান্ডেল বিশেষ ব্যবস্থায় শীতল রাখার ব্যবস্থাও ছিল। কনে সানজিদার পরনে ছিল মেরুন রঙের লেহেঙ্গা। বর আসেন বিকাল ৪টায়। পরনে ছিল ক্রিম কালারের শেরওয়ানী।
এই অনুষ্ঠানে কোনো মন্ত্রী বা বড় রাজনীতিক নেতা ছিলেন না। তবে মৌলভীবাজারের সাত উপজেলার বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরা ছিলেন।
Blogger Comment
Facebook Comment