সর্বশেষ খবর:

অনন্য এক রেকর্ডের অধিকারী হলেন মুমিনুল হক!


​দারুণ একটি সেঞ্চুরি পেলেন মুমিনুল হক। কক্সবাজারের এই বাঁ হাতি আজ চট্টগ্রামে তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর চতুর্থ শতকটি। ক্যারিয়ার এখনো পর্যন্ত মাত্র ১২ টেস্টের, আর এরই মধ্যে তাঁর শতক সংখ্যা ৪! এমন রেকর্ড কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারেরই নেই। ১২ টেস্টে তাঁর ৪ সেঞ্চুরি আর ৭ হাফ সেঞ্চুরি এসেছে ৫৬ গড়ে। সত্যিই মুমিনুল নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অন্য উচ্চতায়।

চা বিরতির আগেই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুমিনুল।তাঁর ১০২ রানের ইনিংসটি ১৫৯ বলে ১২ চারে সাজানো। তামিমে বিদায়ের পর উইকেটে আসা মাহমুদউল্লাহ ফিরেছেন ৩০ রানে। এই মুহূর্তে ১৪ রান নিয়ে মুমিনুলের সঙ্গী সাকিব আল হাসান।

ব্যাট হাতে দারুণ খেলছিলেন তামিম ইকবাল। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও বড় সংগ্রহের ভিতটা গড়েই ফেলেছিলেন কিন্তু তাঁর সম্ভাবনার ইনিংসটির যবনিকা পতন হয়েছে ব্যক্তিগত ৬৫ রানেই। মুশাঙ্গয়ের লেগ ব্রেকে ব্যাটের প্রতিরোধটা বজায় রইল না তাঁর। বোল্ড সাজঘরে ফেরার ধরণটি ঠিক তাঁর ইনিংসের গুলগত মানের সঙ্গে যায় না।

টেস্ট ক্যারিয়ারে এই দ্বিতীয়বারের মতো এক ম্যাচে সেঞ্চুরি ও ফিফটির দেখা পেলেন তামিম। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের এই মারকুটে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান নিজেকে যেভাবে পরিবর্তিত করেছেন, সেটা দেখলে অবাক হতেই হয়। অথচ এই তামিমই ঢাকার প্রথম টেস্টে উভয় ইনিংসে ছিলেন চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ। তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এতটাই উত্থান-পতনময় ছিল যে তামিমকে দল থেকে বাদ দেওয়ার একটা দাবীই ধীরে-ধীরে উচকিত হয়ে উঠছিল।


খুলনা টেস্টে তামিম নিজের পরিবর্তনটা প্রথম সামনে নিয়ে এলেন। প্রথম ইনিংসে দারুণ স্থিতধী এক সেঞ্চুরিতে নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করলেন, চট্টগ্রামে নিজভূমে এসে তিনি নিজের ফর্মকে নিয়ে গেলেন অন্য উচ্চতায়। তাঁর দুর্ভাগ্যই বলতে হবে, জোড়া সেঞ্চুরিটি তিনি পেলেন না। কিন্তু নিজের ইনিংসে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে তিনি কিন্তু ঠিকই নিয়ে গেছেন।

সকালে খুব তাড়াতাড়িই ফিরে যান ইমরুল কায়েস। পানিয়াঙ্গারার বলে তিনি উইকেটের পেছনে মুতুমবামির হাতে ধরা পড়ার আগে নিজের খাতায় লেখেন ১৬ রান। এর পরপরই তামিম মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তোলেন দারুণ এক জুটি। এই জুটি ভাঙে ১১৩ রান তুলে। কিন্তু ততক্ষণে বাংলাদেশের লিডটা চলে গেছে চ্যালেঞ্জিং পর্যায়েই।

    Blogger Comment
    Facebook Comment