বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোটের টানা অবরোধ ও হরতালে একরকম অচল হয়ে পড়েছে দেশ। বিরোধী জোটের এ আন্দোলন কর্মসূচি কঠোর হাতে দমনের পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সংকট নিরসনে আলোচনার বিষয়টিও চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। তবে সংলাপের আগে বিএনপির দাবিগুলো বোঝার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির মধ্যস্থতায় সংলাপের উদ্যোগ নেয়া হতে পারে। তবে নাশকতা প্রতিরোধে ধরপাকড়ও অব্যাহত থাকবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আমরা সংলাপ থেকে একেবারে সরে আসিনি। তবে জামায়াত বাদে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের পরিকল্পনা করছি। তিনি বলেন, বিএনপি- জামায়াতের নৈরাজ্য ঠেকানোর কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসছে না সরকার। এ মুহূর্তে জরুরি অবস্থা জারির কোনো পরিকল্পনাও নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ ধরনের চোরাগোপ্তা হামলা বন্ধে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শ চাইবে সরকার। ওই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিএনপি ও তার সহযোগী দলগুলোকে নিয়ে একটি সংলাপের আহবান করতে পারেন। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফারুক খান (অব.) গণমাধ্যমকে বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ও আলোচনায় বিশ্বাসী। জনস্বার্থ বিবেচনা করে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে সব সময় প্রস্তুত সরকার। তিনি বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে বিদেশি কূটনীতিক, সুশিল সমাজ, ব্যবসায়ী এমনকি সাধারণ মানুষও আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে বৈঠকে বসার দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের দাবি উড়িয়ে দেয়া যায় না। তবে আলোচনার আগে জামায়াত-বিএনপিকে নাশকতার পথ ছাড়তে হবে। হরতাল ও অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। হরতাল ও অবরোধ চলতে থাকলে আলোচনা সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, সংলাপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। শুক্রবার দলের কার্যকরী পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ওই নেতা বলেন, গণভবনে ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকার এরই মধ্যেই খালেদা জিয়ার ব্যাপারে নমনীয় হয়েছে। তিনি চাইলে এখন যেকোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন। তিনি বলেন, নাশকতার ঘটনায় খালেদা জিয়ার নামে মামলা হলেও সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন তাকে গ্রেফতার করা হবে না। জরুরি অবস্থা জারির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
‘সংলাপে বসতে প্রস্তুত সরকার’!
বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোটের টানা অবরোধ ও হরতালে একরকম অচল হয়ে পড়েছে দেশ। বিরোধী জোটের এ আন্দোলন কর্মসূচি কঠোর হাতে দমনের পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সংকট নিরসনে আলোচনার বিষয়টিও চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। তবে সংলাপের আগে বিএনপির দাবিগুলো বোঝার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির মধ্যস্থতায় সংলাপের উদ্যোগ নেয়া হতে পারে। তবে নাশকতা প্রতিরোধে ধরপাকড়ও অব্যাহত থাকবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, আমরা সংলাপ থেকে একেবারে সরে আসিনি। তবে জামায়াত বাদে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের পরিকল্পনা করছি। তিনি বলেন, বিএনপি- জামায়াতের নৈরাজ্য ঠেকানোর কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসছে না সরকার। এ মুহূর্তে জরুরি অবস্থা জারির কোনো পরিকল্পনাও নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ ধরনের চোরাগোপ্তা হামলা বন্ধে ব্যর্থ হলে রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শ চাইবে সরকার। ওই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বিএনপি ও তার সহযোগী দলগুলোকে নিয়ে একটি সংলাপের আহবান করতে পারেন। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফারুক খান (অব.) গণমাধ্যমকে বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ও আলোচনায় বিশ্বাসী। জনস্বার্থ বিবেচনা করে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে সব সময় প্রস্তুত সরকার। তিনি বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে বিদেশি কূটনীতিক, সুশিল সমাজ, ব্যবসায়ী এমনকি সাধারণ মানুষও আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে বৈঠকে বসার দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের দাবি উড়িয়ে দেয়া যায় না। তবে আলোচনার আগে জামায়াত-বিএনপিকে নাশকতার পথ ছাড়তে হবে। হরতাল ও অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। হরতাল ও অবরোধ চলতে থাকলে আলোচনা সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, সংলাপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। শুক্রবার দলের কার্যকরী পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ওই নেতা বলেন, গণভবনে ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকার এরই মধ্যেই খালেদা জিয়ার ব্যাপারে নমনীয় হয়েছে। তিনি চাইলে এখন যেকোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন। তিনি বলেন, নাশকতার ঘটনায় খালেদা জিয়ার নামে মামলা হলেও সরকারের নীতিনির্ধারকরা বলছেন তাকে গ্রেফতার করা হবে না। জরুরি অবস্থা জারির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Blogger Comment
Facebook Comment