রাজধানীর দোলাইরপাড়ে গতকাল বৃহস্পতিবার এক কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন বশির আহমেদ ওরফে মুন্না (২৫) ও মো. লিটন (২৬)। পুলিশ জানিয়েছে, বশির ‘আওয়ামী স্বাধীনতা লীগের’ শ্যামপুর থানা শাখার সভাপতি এবং লিটন কর্মী।
পুলিশ জানায়, বিকেল চারটার দিকে ‘আওয়ামী স্বাধীনতা লীগের’ তিন কর্মী লিটন, রতন ও আরিফ পশ্চিম দোলাইরপাড়ে মিষ্টান্ন ভান্ডারের সামনে থেকে প্রেমিক-প্রেমিকা ও তাদের এক বন্ধুকে ধরে দোলাইরপাড়ে ‘আওয়ামী স্বাধীনতা লীগের’ কার্যালয়ে নিয়ে যান। একপর্যায়ে তাঁরা কিশোরীর প্রেমিকাকে পাশের কক্ষে আটকে রাখেন এবং কিশোরীর প্রেমিকের বন্ধুর চোখ ও হাত-পা বেঁধে ফেলেন। এরপর তার সামনে কিশোরীর হাত-পা ও মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। পাশের এক ব্যক্তি টের পেয়ে শ্যামপুর থানায় জানায়। পরে শ্যামপুর থানার পুলিশ ওই কার্যালয়ে ঢুকে ধর্ষণের শিকার কিশোরী, তার প্রেমিক ও প্রেমিকের বন্ধুকে উদ্ধার করে। এ সময় কার্যালয়ে থাকা বশির ও লিটনকে আটক করে পুলিশ। অন্য দুজন পালিয়ে যান।
শ্যামপুর থানার এসআই কৃষ্ণদাস বৈরাগী বলেন, ওই কিশোরী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বশির, লিটনসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করেছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Blogger Comment
Facebook Comment