জানা গেছে, উপজেলার খাজুরা গ্রামের বাসিন্দা কিশোরীর সঙ্গে গত মাসের মাঝামাঝিতে চাচাত ভাই ফেরদৌসের বয়স গোপন করে বিয়ে হয়। কিন্তু লম্পট দুলাভাই মিজানুর ওই কিশোরীকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাদের সালিশের মুখোমুখি করা হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আবু ছাইদ ফকির ২৯ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ বিচার শুরু করেন। সালিশে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন, কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান, লতাচাপলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. জুলহাস খান, ফাঁসিপাড়া গ্রামের মো. মজিবর হাওলাদার, খাজুরা গ্রামের আ. জলিল মোল্লা প্রমুখ।

Blogger Comment
Facebook Comment