পিরোজপুর: রাতে পাশেই ঘুমিয়ে ছিলেন স্ত্রী। পাশের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল কলেজ ও স্কুল পড়ুয়া তাদের দুই সন্তান। এমন পরিস্থিতিতে গভীর রাতে ঘটলো রহস্যজনক ঘটনা। গৃহকর্তা হারুন অর রশীদের (৫০) লিঙ্গ কর্তন করলো দুর্বৃত্তরা।
সোমবার সকালে গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে স্থানান্তর করা হয় বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
রোববার দিনগত রাতে পিুরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সোনাখালী গ্রামের ঘটে এ ঘটনা।
ঘটনার শিকার হারুন অর রশীদ সোনাখালী গ্রামের মজিদ জমাদ্দারের ছেলে। তার স্ত্রীর নাম খাদিজা বেগম। তাদের চার সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে শিমুল (১৭) কলেজে পড়ছে, আর ছোট ছেলে আসাদ (১৪) পড়ছে স্কুলে।
ঘটনার পরে দুই ছেলেকে পুলিশ থানায় ডেকে নিয়ে আসে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. ফেরদৌস জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে লিঙ্গ বিচ্ছিন্ন গুরুতর জখম অবস্থায় হারুন অর রশীদকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পিরোজপুর জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) মোস্তফা কামাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হারুনের কলেজ পড়ুয়া ছেলে শিমুল ও স্কুল পড়ুয়া ছেলে আসাদকে থানায় ডেকে আনা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে স্বামীর সঙ্গে অবস্থান করায় হারুনের স্ত্রী খাদিজাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছে না। ঘটনার পেছনে দাম্পত্য কলহ কিংবা দুজনেরই পরকীয়ার কোনো কারণ আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

Blogger Comment
Facebook Comment