
একের পর এক ব্যর্থ আন্দোলনের জন্ম দিয়ে টালমাটাল অবস্থা দেশের অন্যতম রাজিনৈতিক দল বিএনপির। আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে নিজেরা মাঠে না থাকার গল্প এখন পুরোনো। গ্রেফতার, হয়রানিসহ নানান অজুহাতে বড় নেতারাও বন্দি কথার ঘেরাটোপে। বিএনপি চেয়ারপারসনের সবচেয়ে বড় ভরসা দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। চিকিৎসা, মামলা প্রভৃতি কারণে তিনিও ফিরতে পারছেন না দেশে। সাদেক হোসেন খোকার মতো বড় নেতাও অগোচরে।
এত সব হতাশার মধ্যেও নতুন আশার আলো দেখাতে শুরু করেছেন খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান। শোনা যাচ্ছে আগামী অক্টোবর মাসেই লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন তিনি।
চিকিৎসা ও রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে স্বামী তারেক রহমান ও দেবর আরাফাত রহমান কোকো দেশে ফিরতে পারছেন না বেশ কয়েক বছর হলো। স্বামীর চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে গত আগস্ট মাসে চাকরিও হারিয়েছেন তিনি। শাশুড়ি খালেদা জিয়ার নামেও রয়েছে বেশ কয়েকটি মামলা। এসব মামলায় দণ্ডও হতে তার। পরিবার ও দলের এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে জোবায়দাই দলের হাল ধরছেন- এমন জোর কানাঘুষা রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
মামলা থাকায় আগামী জাতীয় সংসদ নিবর্বাচনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ অনেকটা অনিশ্চিত। এ অবস্থায় জোবায়দাকেই দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হতে পারে বলে মনে করেন অনেকেই। স্বয়ং খালেদা জিয়াও এমনটাই চান বলে দলের নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জোবায়দা রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে। নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান মাহবুব আলী খানের ছোট মেয়ে তিনি। পেশায় চিকিৎসক জোবায়দার কোনো দুর্নাম নেই। নেই কোনো দুর্নীতির অভিযোগও। তার এই ক্লিন ইমেজ দলে ইতিচাবক প্রভাব ফেলবে বলেও আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জোবায়দার নিজ জেলা সিলেটে বাবার ও পরিবারের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। জিয়াউর রহমান ও এরশাদের আমলে যোগাযোগ ও কৃষি মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে সিলেট বিভাগে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করে জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন জোবায়দার বাবা। সে বিবেচনায়ও সিলেটবাসীর কাছে জোবায়দা রহমানের যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
বিএনপির তৃণমূলেও তার নেতৃত্ব নিয়ে আগ্রহ রয়েছে বলে দলের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট সদর বা ঢাকা-১৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন ডা. জোবায়দা- এমন খবরও চাউর রাজনৈতিক মহলে।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শেষ দিকে (১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৮) অসুস্থ স্বামী তারেক রহমান চিকিত্সার উদ্দেশ্যে লন্ডন যাওয়ার সময় ডা. জোবায়দা কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি নিয়ে সঙ্গী হন। সেই থেকে স্বামী-সন্তান নিয়ে লন্ডনেই অবস্থান করছেন তিনি। এর মধ্যে সরকারি চাকরি হারালেও এফসিপিএসসহ চিকিৎসা বিজ্ঞানে বেশ কয়েকটি উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেছেন জোবায়দা।

এত সব হতাশার মধ্যেও নতুন আশার আলো দেখাতে শুরু করেছেন খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান। শোনা যাচ্ছে আগামী অক্টোবর মাসেই লন্ডন থেকে দেশে ফিরছেন তিনি।
চিকিৎসা ও রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে স্বামী তারেক রহমান ও দেবর আরাফাত রহমান কোকো দেশে ফিরতে পারছেন না বেশ কয়েক বছর হলো। স্বামীর চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ দেখিয়ে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে গত আগস্ট মাসে চাকরিও হারিয়েছেন তিনি। শাশুড়ি খালেদা জিয়ার নামেও রয়েছে বেশ কয়েকটি মামলা। এসব মামলায় দণ্ডও হতে তার। পরিবার ও দলের এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে জোবায়দাই দলের হাল ধরছেন- এমন জোর কানাঘুষা রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
মামলা থাকায় আগামী জাতীয় সংসদ নিবর্বাচনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ অনেকটা অনিশ্চিত। এ অবস্থায় জোবায়দাকেই দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হতে পারে বলে মনে করেন অনেকেই। স্বয়ং খালেদা জিয়াও এমনটাই চান বলে দলের নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জোবায়দা রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে। নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান মাহবুব আলী খানের ছোট মেয়ে তিনি। পেশায় চিকিৎসক জোবায়দার কোনো দুর্নাম নেই। নেই কোনো দুর্নীতির অভিযোগও। তার এই ক্লিন ইমেজ দলে ইতিচাবক প্রভাব ফেলবে বলেও আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জোবায়দার নিজ জেলা সিলেটে বাবার ও পরিবারের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। জিয়াউর রহমান ও এরশাদের আমলে যোগাযোগ ও কৃষি মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে সিলেট বিভাগে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করে জনগণের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছিলেন জোবায়দার বাবা। সে বিবেচনায়ও সিলেটবাসীর কাছে জোবায়দা রহমানের যথেষ্ট গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
বিএনপির তৃণমূলেও তার নেতৃত্ব নিয়ে আগ্রহ রয়েছে বলে দলের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট সদর বা ঢাকা-১৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন ডা. জোবায়দা- এমন খবরও চাউর রাজনৈতিক মহলে।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শেষ দিকে (১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৮) অসুস্থ স্বামী তারেক রহমান চিকিত্সার উদ্দেশ্যে লন্ডন যাওয়ার সময় ডা. জোবায়দা কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি নিয়ে সঙ্গী হন। সেই থেকে স্বামী-সন্তান নিয়ে লন্ডনেই অবস্থান করছেন তিনি। এর মধ্যে সরকারি চাকরি হারালেও এফসিপিএসসহ চিকিৎসা বিজ্ঞানে বেশ কয়েকটি উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেছেন জোবায়দা।

এ ব্যাপারে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় সাবেক চিফ হুইপ, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, চিকিৎসক হিসেবে জোবায়দা রহমানের জীবনের ব্রতই হচ্ছে মানুষের সেবা করা। রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে-বউ হওয়ার সুবাদে পরিবারের সিদ্ধান্তে তিনি রাজনীতিতে আসতেই পারেন।
তাছাড়া তারেক রহমানের মতো জোবায়দা রহমানকেও মানুষ ভালোবাসে, শ্রদ্ধা করে বলে জানান বিএনপির এই নেতা।
ডা. জোবায়দার রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতা বলেন, জোবায়দার জন্ম রাজনৈতিক পরিবারে। তার স্বামী-শাশুড়িসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রাজনীতিক। বিএনপির এই ক্রান্তিকালে তিনি দলের হাল ধরলে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
জল্পনা-কল্পনা গুঞ্জন যাই শোনা যাক সময়ই বলে দেবে কোন পথে হাঁটবে বিএনপি, কে হবেন ভবিষ্যৎ কান্ডারি, আর তারেক পত্নী ডা. জোবায়দাই বা কি করবেন।
তাছাড়া তারেক রহমানের মতো জোবায়দা রহমানকেও মানুষ ভালোবাসে, শ্রদ্ধা করে বলে জানান বিএনপির এই নেতা।
ডা. জোবায়দার রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতা বলেন, জোবায়দার জন্ম রাজনৈতিক পরিবারে। তার স্বামী-শাশুড়িসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রাজনীতিক। বিএনপির এই ক্রান্তিকালে তিনি দলের হাল ধরলে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
জল্পনা-কল্পনা গুঞ্জন যাই শোনা যাক সময়ই বলে দেবে কোন পথে হাঁটবে বিএনপি, কে হবেন ভবিষ্যৎ কান্ডারি, আর তারেক পত্নী ডা. জোবায়দাই বা কি করবেন।
Blogger Comment
Facebook Comment