কাওড়াকান্দি-মাওয়া নৌরুটের মাঝপদ্মায় রোববার সকালে পৃথক দুর্ঘটনায় তিনটি স্পিডবোট ডুবির খবর পাওয়া গেছে। দুই যাত্রীকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে। এর মধ্যে পাঁচ্চর গোয়ালকান্দা এলাকার ফরহাদ তালুকদারকে (৪৫) অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অপর যাত্রী দেলোয়ার শিকদার চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
দুই স্পিডবোটে কমপক্ষে অর্ধশত যাত্রী ছিল বলে কাওড়াকান্দি ঘাট সূত্র জানায়। তবে কাওড়াকান্দি ঘাট, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ করেও নিখোঁজ যাত্রীদের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।
এদিকে পদ্মায় খননকাজে থাকা লোকজন কমপক্ষে ২০ জনকে উদ্ধার করেছে। তাছাড়া অনেকেই সাঁতরে নদীর পাড়ে উঠেছে।
দুর্ঘটনার পর নৌরুটে চলাচলরত একাধিক স্পিডবোট চালকেরা জানান, ডুবে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার করে মাওয়া-মাঝিকান্দি ঘাটে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। তবে উদ্ধার করা যাত্রীদের সঠিক সংখ্যা তারা জানাতে পারেনি।
সরেজমিনে শিবচরের কাওড়াকান্দি ঘাটে গিয়ে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে ১৫জন যাত্রী নিয়ে চালক মামুনের একটি স্পিডবোট মাওয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঘনকুয়াশার কারণে স্পিডবোটটি দিক নির্ণয় করতে না পেরে একটি ড্রেজারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এসময় স্পিবোটের যাত্রীরা পানিতে তলিয়ে গেলে যাত্রী শিবচরের ফরহাদ ও দেলোয়ারকে অপর একটি বোট উদ্ধার করে কাওড়াকান্দি ঘাটে নিয়ে আসে। সেখান থেকে পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এছাড়া মাঝিকান্দি থেকে চালক জব্বারের মাওয়াগামী যাত্রীবাহী একটি স্পিডবোটের সাথে মাওয়া থেকে ছেড়ে আসা চালক নজরুলের একটি বোটের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে প্রায় একই সময়ে। এ ঘটনায় দুটি বোটই উল্টে যায়। বোট উদ্ধার করে চালকেরা গা ঢাকা দিলেও যাত্রীদের ব্যাপারে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে যাত্রীরা সাঁতরে উঠতে সক্ষম হয়েছে বলে দুর্ঘটনার কাছাকাছি থাকা জেলেরা জানিয়েছে।
মাঝ পদ্মায় তল্লাশিরত পুলিশের একটি স্পিডবোটে থাকা মাদারীপুরের এক সাংবাদিক জানান, ঘটনাস্থল নির্ণয় করা যায়নি। যাত্রীদের ভেসে যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করে নৌকায় রেখেছে স্থানীয় জেলেরা। তবে কতজন আহত হল বা কতজনকে উদ্ধার করা গেছে অথবা নিখোঁজ রয়েছে তার কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।’
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইল বলেন,‘আমরা খোঁজ নিচ্ছি। ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হচ্ছে।’
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সাত্তার বলেন,‘খবর পেয়ে একটি টিম সকালেই ঘাটে যায়। সেখান থেকে অপর একটি বোট নিয়ে তারা মাঝ পদ্মায় রয়েছে। তবে ঘটনাস্থল নির্ণয় করা যাচ্ছে না। কাওড়াকান্দি-মাঝিকান্দি থেকে মাওয়ায় প্রবেশের পথেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার শিকার বেশিরভাগ যাত্রীই সাঁতরে উঠে মাওয়া পাড়ে গিয়েছে। তাছাড়া আমাদের টিম তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।’
দুই স্পিডবোটে কমপক্ষে অর্ধশত যাত্রী ছিল বলে কাওড়াকান্দি ঘাট সূত্র জানায়। তবে কাওড়াকান্দি ঘাট, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ করেও নিখোঁজ যাত্রীদের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।
এদিকে পদ্মায় খননকাজে থাকা লোকজন কমপক্ষে ২০ জনকে উদ্ধার করেছে। তাছাড়া অনেকেই সাঁতরে নদীর পাড়ে উঠেছে।
দুর্ঘটনার পর নৌরুটে চলাচলরত একাধিক স্পিডবোট চালকেরা জানান, ডুবে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার করে মাওয়া-মাঝিকান্দি ঘাটে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। তবে উদ্ধার করা যাত্রীদের সঠিক সংখ্যা তারা জানাতে পারেনি।
সরেজমিনে শিবচরের কাওড়াকান্দি ঘাটে গিয়ে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে ১৫জন যাত্রী নিয়ে চালক মামুনের একটি স্পিডবোট মাওয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঘনকুয়াশার কারণে স্পিডবোটটি দিক নির্ণয় করতে না পেরে একটি ড্রেজারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এসময় স্পিবোটের যাত্রীরা পানিতে তলিয়ে গেলে যাত্রী শিবচরের ফরহাদ ও দেলোয়ারকে অপর একটি বোট উদ্ধার করে কাওড়াকান্দি ঘাটে নিয়ে আসে। সেখান থেকে পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এছাড়া মাঝিকান্দি থেকে চালক জব্বারের মাওয়াগামী যাত্রীবাহী একটি স্পিডবোটের সাথে মাওয়া থেকে ছেড়ে আসা চালক নজরুলের একটি বোটের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে প্রায় একই সময়ে। এ ঘটনায় দুটি বোটই উল্টে যায়। বোট উদ্ধার করে চালকেরা গা ঢাকা দিলেও যাত্রীদের ব্যাপারে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে যাত্রীরা সাঁতরে উঠতে সক্ষম হয়েছে বলে দুর্ঘটনার কাছাকাছি থাকা জেলেরা জানিয়েছে।
মাঝ পদ্মায় তল্লাশিরত পুলিশের একটি স্পিডবোটে থাকা মাদারীপুরের এক সাংবাদিক জানান, ঘটনাস্থল নির্ণয় করা যায়নি। যাত্রীদের ভেসে যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করে নৌকায় রেখেছে স্থানীয় জেলেরা। তবে কতজন আহত হল বা কতজনকে উদ্ধার করা গেছে অথবা নিখোঁজ রয়েছে তার কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তবে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।’
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসাইল বলেন,‘আমরা খোঁজ নিচ্ছি। ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হচ্ছে।’
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সাত্তার বলেন,‘খবর পেয়ে একটি টিম সকালেই ঘাটে যায়। সেখান থেকে অপর একটি বোট নিয়ে তারা মাঝ পদ্মায় রয়েছে। তবে ঘটনাস্থল নির্ণয় করা যাচ্ছে না। কাওড়াকান্দি-মাঝিকান্দি থেকে মাওয়ায় প্রবেশের পথেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার শিকার বেশিরভাগ যাত্রীই সাঁতরে উঠে মাওয়া পাড়ে গিয়েছে। তাছাড়া আমাদের টিম তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে।’

Blogger Comment
Facebook Comment