টেস্টে এক ইনিংসে ৮ উইকেট নিয়ে আগেই নিজের জাত চিনিয়েছেন বাংলাদেশের তাইজুল ইসলাম। সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন নিজেকে ওয়ানডেতে মেলে ধরার। সুযোগ পেলেনও এবং স্বপ্নিল অভিষেকেই তুলে নিলেন হ্যাটট্রিকসহ ৪ উইকেট।
ইনিংসের ২৭তম ওভারে ব্যক্তিগত ৬ষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই আগের ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো সলোমন মিরকে দিয়ে এক দিনের ক্রিকেটে উইকেট সূচনা করেন এই টাইগার অফ স্পিনার। ওই ওভারের দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বলটি খুব কষ্ট করেই পার করলেন পানিআঙ্গারা। ষষ্ঠ বলে পরিষ্কার বোল্ড করে উইকেট সংখ্যা বাড়ালেন তাইজুল।
এরপর ইনিংসের ২৯তম ওভারে বল হাতে নিজের সপ্তম ওভার করতে আসেন তিনি। প্রথম বলেই নিয়াম্বুকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। নিজের উইকেট সংখ্যা বাড়িয়ে ৩ করে নেন এবং আরাধ্যের হাটট্রিকের সুযোগ তার সামনে। দ্বিতীয় বলে নতুন ব্যাটসমান টেন্ডাই চাতারাকে আরেকটি স্বপ্নিল ডেলিভারিতে বোল্ড করে অভিষেকেই হ্যাটট্রিক তুলে নেন তাইজুল ইসলাম।
পরের ওভারেই উইকেট নিয়ে ইনিংসের সমাপ্তি করেন সাকিব। অভিষেকেই তাইজুল ইসলামের বোলিং ফিগার ৭ ওভার ২ মেডেন ১১ রান ৪ উইকেট। এর মধ্যে ষষ্ঠ ও সপ্তম ওভারটি দাঁড়ায়- w-০-০-০-০-w ও w-w-০-০-০-০।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পঞ্চম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ১১৬তম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয় তাইজুলের।
চলতি বছরই ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট অভিষেক হয় তাইজুলের। নিজের প্রথম টেস্টেই পাঁচ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন তিনি। ওয়ানডে অভিষেকে তো অনন্য কীর্তি গড়লেন এই তরুণ স্পিনার।
একাদশ ওভারে মাশরাফি বিন মুর্তজার জায়গায় বল করতে আসেন তাইজুল। নিজের প্রথম স্পেলে ৫ ওভার বল করে মাত্র ১১ রান দেন তিনি। দ্রুত রান তুলতে থাকা হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও ভুসি সিবান্দাকে মোটেও সহজে রান করতে দেননি তিনি।
২৭তম ওভারে দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেন তাইজুল। প্রথম বলে সলোমন মায়ারকে এলবিডব্লিউ করে নিজের প্রথম উইকেট নেন তিনি।
সেই ওভারের শেষ বলে টিনাশে পানিয়াঙ্গারাকে বোল্ড করে নিজের দ্বিতীয় উইকেটটি নেন তিনি। তাইজুলের পরের ওভারের প্রথম বলে জন নিউম্বু এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়লে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি হয়।
পরের স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান টেন্ডাই চাটারা। উল্লাসে মেতে উঠে স্বাগতিকরা। উদযাপনে পিছিয়ে ছিলেন না গ্যালারিতে থাকা ভক্তরাও।
২ ওভারের সেই স্পেলে কোনো রান না দিয়ে ৪ উইকেট নেন তাইজুল।
তাইজুলের অসাধারণ এই হ্যাটট্রিক বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে চতুর্থ আর সব মিলিয়ে ৩৬তম হ্যাটট্রিক।
২০০৬ সালের ২ অগাস্ট জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেন শাহাদাত হোসেন।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ২০১০ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকটি করেন আব্দুর রাজ্জাক। গত বছর তৃতীয় হ্যাটট্রিকটি করেন রুবেল হোসেন। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৯ অক্টোবর পরপর তিন বলে উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখান তিনি।
রুবেলের জায়গায়ই পঞ্চম ওয়ানডেতে অভিষেক হয় তাইজুলের।
ইনিংসের ২৭তম ওভারে ব্যক্তিগত ৬ষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই আগের ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো সলোমন মিরকে দিয়ে এক দিনের ক্রিকেটে উইকেট সূচনা করেন এই টাইগার অফ স্পিনার। ওই ওভারের দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বলটি খুব কষ্ট করেই পার করলেন পানিআঙ্গারা। ষষ্ঠ বলে পরিষ্কার বোল্ড করে উইকেট সংখ্যা বাড়ালেন তাইজুল।
এরপর ইনিংসের ২৯তম ওভারে বল হাতে নিজের সপ্তম ওভার করতে আসেন তিনি। প্রথম বলেই নিয়াম্বুকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। নিজের উইকেট সংখ্যা বাড়িয়ে ৩ করে নেন এবং আরাধ্যের হাটট্রিকের সুযোগ তার সামনে। দ্বিতীয় বলে নতুন ব্যাটসমান টেন্ডাই চাতারাকে আরেকটি স্বপ্নিল ডেলিভারিতে বোল্ড করে অভিষেকেই হ্যাটট্রিক তুলে নেন তাইজুল ইসলাম।
পরের ওভারেই উইকেট নিয়ে ইনিংসের সমাপ্তি করেন সাকিব। অভিষেকেই তাইজুল ইসলামের বোলিং ফিগার ৭ ওভার ২ মেডেন ১১ রান ৪ উইকেট। এর মধ্যে ষষ্ঠ ও সপ্তম ওভারটি দাঁড়ায়- w-০-০-০-০-w ও w-w-০-০-০-০।
ইতিহাস গড়েছেন তাইজুল ইসলাম। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করার অনন্য কৃতিত্ব দেখিয়েছেন এই স্পিনার।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পঞ্চম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ১১৬তম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয় তাইজুলের।
চলতি বছরই ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট অভিষেক হয় তাইজুলের। নিজের প্রথম টেস্টেই পাঁচ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন তিনি। ওয়ানডে অভিষেকে তো অনন্য কীর্তি গড়লেন এই তরুণ স্পিনার।
একাদশ ওভারে মাশরাফি বিন মুর্তজার জায়গায় বল করতে আসেন তাইজুল। নিজের প্রথম স্পেলে ৫ ওভার বল করে মাত্র ১১ রান দেন তিনি। দ্রুত রান তুলতে থাকা হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও ভুসি সিবান্দাকে মোটেও সহজে রান করতে দেননি তিনি।
২৭তম ওভারে দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেন তাইজুল। প্রথম বলে সলোমন মায়ারকে এলবিডব্লিউ করে নিজের প্রথম উইকেট নেন তিনি।
সেই ওভারের শেষ বলে টিনাশে পানিয়াঙ্গারাকে বোল্ড করে নিজের দ্বিতীয় উইকেটটি নেন তিনি। তাইজুলের পরের ওভারের প্রথম বলে জন নিউম্বু এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়লে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি হয়।
পরের স্লগ সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান টেন্ডাই চাটারা। উল্লাসে মেতে উঠে স্বাগতিকরা। উদযাপনে পিছিয়ে ছিলেন না গ্যালারিতে থাকা ভক্তরাও।
২ ওভারের সেই স্পেলে কোনো রান না দিয়ে ৪ উইকেট নেন তাইজুল।
তাইজুলের অসাধারণ এই হ্যাটট্রিক বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে চতুর্থ আর সব মিলিয়ে ৩৬তম হ্যাটট্রিক।
২০০৬ সালের ২ অগাস্ট জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেন শাহাদাত হোসেন।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ২০১০ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকটি করেন আব্দুর রাজ্জাক। গত বছর তৃতীয় হ্যাটট্রিকটি করেন রুবেল হোসেন। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৯ অক্টোবর পরপর তিন বলে উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব দেখান তিনি।
রুবেলের জায়গায়ই পঞ্চম ওয়ানডেতে অভিষেক হয় তাইজুলের।

Blogger Comment
Facebook Comment