ব্রিটেনে পর্ন সিনেমা দেখতে গিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যাওয়ার দশা হলো এক ব্রিটিশ ভদ্রলোকের। ওই ভিডিও ক্লিপটি চালু করেই তার চক্ষু চড়কগাছ। চোখের সামনে দেখলেন, বিশাল এক বাঘের সঙ্গে সেক্স করছেন এক পর্নস্টার। এই দৃশ্যটি হজম করতে ব্যাপক পেরেশানি সহ্য করতে হয় হৃদয়কে। ফলে ছোটখাটো হার্ট অ্যাটাকই করে ফেলেন তিনি।
বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আসলে বাঘের পোশাক পরে একজন পুরুষই সেক্স করছিলেন ভিডিওটিতে। বুঝতে পারেননি তিনি। এই ভয়ংকর দৃশ্য কারই বা সহ্য হয়।
অ্যান্ড্রু হলেন্ড নামের ৫১ বছর বয়সী এক বাসচালককে মজা করে ভিডিওটি পাঠান তার বন্ধু। এটি শেয়ার হয়ে যায় অনেকের কাছে। এ ধরনের পর্ন ক্লিপ রাখার জন্য ৬ মাসের জেলও হয় তার। পরে দেখা যায়, বিশাল ওই বেড়ালের নিখুঁত একটি কস্টিউম পরেছিলেন পর্ন ছবির অভিনেতা। এটি বোঝার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।
মুক্তির পর হল্যান্ড জানান, আইনজীবীরা ক্লিপটি মনোযোগের সঙ্গে দেখার পর বোঝেন যে, টনি দ্য টাইগার নামের ওই চরিত্রে একজন পুরুষই ছিলেন। অবশেষে মুক্তি মেলে তার।
কাজেই কোনো বন্ধুকে পর্ন ভিডিও শেয়ার করার আগে আপনার এখন থেকেই সাবধান হওয়া জরুরি।
বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। আসলে বাঘের পোশাক পরে একজন পুরুষই সেক্স করছিলেন ভিডিওটিতে। বুঝতে পারেননি তিনি। এই ভয়ংকর দৃশ্য কারই বা সহ্য হয়।
অ্যান্ড্রু হলেন্ড নামের ৫১ বছর বয়সী এক বাসচালককে মজা করে ভিডিওটি পাঠান তার বন্ধু। এটি শেয়ার হয়ে যায় অনেকের কাছে। এ ধরনের পর্ন ক্লিপ রাখার জন্য ৬ মাসের জেলও হয় তার। পরে দেখা যায়, বিশাল ওই বেড়ালের নিখুঁত একটি কস্টিউম পরেছিলেন পর্ন ছবির অভিনেতা। এটি বোঝার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।
মুক্তির পর হল্যান্ড জানান, আইনজীবীরা ক্লিপটি মনোযোগের সঙ্গে দেখার পর বোঝেন যে, টনি দ্য টাইগার নামের ওই চরিত্রে একজন পুরুষই ছিলেন। অবশেষে মুক্তি মেলে তার।
কাজেই কোনো বন্ধুকে পর্ন ভিডিও শেয়ার করার আগে আপনার এখন থেকেই সাবধান হওয়া জরুরি।

Blogger Comment
Facebook Comment