শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান। বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তারা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এসময় তিন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর জাতীয় সংসদের পক্ষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ দলীয় নেতাদের নিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।
পরে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনীতিকরা শহীদ মিনারে তাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।
এরপর থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সহযোগী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ছাত্র, যুব, শ্রমিক, কৃষক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ একে একে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শুরু করেন।
এর পর থেকেই সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনার বেদি উন্মুক্ত থাকবে।

Blogger Comment
Facebook Comment