এই প্রশ্ন বাংলাদেশের অনেকের। আসলে দুই স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে সুবিধা দিতে গিয়েই এ ‘ধন্ধ’ তৈরি হয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড নিজের দেশে খেলবে এই নিশ্চয়তা আইসিসি আগেই দিয়েছে। সঙ্গে বিশ্বকাপের আগে প্রকাশিত র্যাঙ্কিং অনুসারে গ্রুপ ‘এ’র অন্য দুটি শীর্ষ দল শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডকেও কোয়ার্টার ফাইনাল ভেন্যু বলে দিয়েছিল আইসিসি। কথা হলো, এখানে ‘বি’ গ্রুপের হিসাব আনা হয়নি কেন? আইসিসি কেবল স্বাগতিকদের গ্রুপটি হিসাবে এনেছে। ‘বি’ গ্রুপের নয়। আর দুটি স্বাগতিক দলই খেলেছে ‘এ’ গ্রুপে।
দুই স্বাগতিক এবং শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডের কোয়ার্টার ফাইনাল ভেন্যু ও তারিখ আগেই চূড়ান্ত হওয়ায় জানা গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা ১৮ মার্চ সিডনিতে, ইংল্যান্ড ১৯ মার্চ মেলবোর্নে, অস্ট্রেলিয়া ২০ মার্চ অ্যাডিলেডে ও নিউজিল্যান্ড ২১ মার্চ ওয়েলিংটনে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলবে। এখানে ইংল্যান্ডকে হটিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে মাশরাফিদের খেলা মেলবোর্নেই। এর সঙ্গে গ্রুপে চতুর্থ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। অবশ্য ভেন্যু পাল্টালেও প্রতিপক্ষ ঠিকই থাকছে।
স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা থাকছে সেমিফাইনালেও। নিউজিল্যান্ড যদি সেমিফাইনালে চলে যায়, তবে তাদের প্রতিপক্ষকে খেলতে যেতে হবে অকল্যান্ডে। একইভাবে অস্ট্রেলিয়া সেমিফাইনালে উঠলে তাদের প্রতিপক্ষকেও খেলতে হবে সিডনিতে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড দুই দলই যদি বাদ পড়ে যায় শেষ আট থেকে তবে ভেন্যু জটিলতা আর থাকলই না।

Blogger Comment
Facebook Comment