পাকিস্তানি স্পিনার সাঈদ আজমলকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। ত্রুটিপূর্ণ বোলিং অ্যাকশনের কারণে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয় আইসিসির এক বিবৃতিতে। পাকিস্তানভক্তদের কাছে সংবাদটা বড় ধরনের আঘাত হয়েই আসল। গতমাসে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানের প্রথম টেস্টে এই স্পিন জাদুকরের বিপক্ষে প্রথম অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ আনা হয়। তারপর অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের ন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষায় তার বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি ধরা পড়ে। আর সেকারণেই নিষিদ্ধ হতে হল বর্তমান সময়ের সেরা পাক স্পিন অস্ত্রকে। অবশ্য সাঈদ আজমল যে কোন সময় তার বোলিং অ্যাকশনে সংশোধন এনে আইসিসির কাছে বৈধতার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে আজমলের বোলিং সম্পর্কে যে বিবৃতি দেয়া হয়েছে তা হল, ‘স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে সাঈদ আজমলের বোলিং অ্যাকশন বিধি বহির্ভূত। আইসিসির নীতি অনুসারে ১৫ ডিগ্রির বেশি কোনে বাঁকিয়ে বল ছাড়া যাবে না। আর আজমলের প্রতিটা বলেই হাত ১৫ ডিগ্রির বেশি বাঁক নিচ্ছে।’ এর আগে ২০০৯ সালে আজমলেকে নিষিদ্ধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয় দোসরা বোলিংয়ে ত্রুটি থাকার কারণে। পরে সে সমস্যা থেকে উতরে যান তিনি। বর্তমানে পাকিস্তানের সেরা স্পিন বোলার হিসেবে গণ্য করা হয় তাকে। গত কয়েকমাসের মধ্যে আইসিসি বোলিং অ্যকশনের সমস্যা থাকার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করে দুই বোলারকে। তারা হলেন শ্রীলঙ্কার সেনানায়েকে ও নিউজিল্যান্ডের উইলিয়ামসন। আর বাংলাদেশের স্পিনার সোহাগ গাজীকেও বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার সামনে পরতে হচ্ছে শীঘ্রই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ-বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজে তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন দায়িত্বরত দুই আম্পায়ার।
আজমল নিষিদ্ধ
পাকিস্তানি স্পিনার সাঈদ আজমলকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। ত্রুটিপূর্ণ বোলিং অ্যাকশনের কারণে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয় আইসিসির এক বিবৃতিতে। পাকিস্তানভক্তদের কাছে সংবাদটা বড় ধরনের আঘাত হয়েই আসল। গতমাসে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানের প্রথম টেস্টে এই স্পিন জাদুকরের বিপক্ষে প্রথম অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ আনা হয়। তারপর অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের ন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষায় তার বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি ধরা পড়ে। আর সেকারণেই নিষিদ্ধ হতে হল বর্তমান সময়ের সেরা পাক স্পিন অস্ত্রকে। অবশ্য সাঈদ আজমল যে কোন সময় তার বোলিং অ্যাকশনে সংশোধন এনে আইসিসির কাছে বৈধতার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে আজমলের বোলিং সম্পর্কে যে বিবৃতি দেয়া হয়েছে তা হল, ‘স্বাধীনভাবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে সাঈদ আজমলের বোলিং অ্যাকশন বিধি বহির্ভূত। আইসিসির নীতি অনুসারে ১৫ ডিগ্রির বেশি কোনে বাঁকিয়ে বল ছাড়া যাবে না। আর আজমলের প্রতিটা বলেই হাত ১৫ ডিগ্রির বেশি বাঁক নিচ্ছে।’ এর আগে ২০০৯ সালে আজমলেকে নিষিদ্ধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয় দোসরা বোলিংয়ে ত্রুটি থাকার কারণে। পরে সে সমস্যা থেকে উতরে যান তিনি। বর্তমানে পাকিস্তানের সেরা স্পিন বোলার হিসেবে গণ্য করা হয় তাকে। গত কয়েকমাসের মধ্যে আইসিসি বোলিং অ্যকশনের সমস্যা থাকার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করে দুই বোলারকে। তারা হলেন শ্রীলঙ্কার সেনানায়েকে ও নিউজিল্যান্ডের উইলিয়ামসন। আর বাংলাদেশের স্পিনার সোহাগ গাজীকেও বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার সামনে পরতে হচ্ছে শীঘ্রই। ওয়েস্ট ইন্ডিজ-বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজে তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন দায়িত্বরত দুই আম্পায়ার।

Blogger Comment
Facebook Comment