আগে থেকেই ধারনা করা হয়েছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে যথাসম্ভব সব সিদ্ধান্ত দেবেন আম্পায়াররা। বাণিজ্যিক দিক থেকে আর ক্ষতির সম্মুখিন হতে চায় না আইসিসি! ভারত যদি কোনভাবে হেরেই যায় বাংলাদেশের কাছে, তাহলে তো ক্ষতি হবে আইসিসিরই। সুতরাং, মেলবোর্নে যেন ভারতই জেতে, সে জন্য সব কিছু আগে থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছে ক্রিকেটের তথাকথিত অভিভাবক সংস্থাটি।
মেলবোর্নের উইকেট দেখলেই বোঝা যায়, ভারতের ব্যাটিংয়ের জন্য কতটা সহায়ক করে তৈরী করা হয়েছে সেটা। যেন ভারত নিজেদের মাটিতেই কোন ম্যাচ খেলছে। উইকেটের কথা বাদ দিয়ে যদি আম্পায়ারদের কথাই ধরা হয়, তাহলে নিশ্চিত তারাও ভারতের পক্ষ নিয়ে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে। মাঠে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ১১ জন নন, মোট ১৪ জন। সাথে টিভি আম্পায়ারসহ মোট ৩জন আম্পায়ারকে যোগ করে নিন।
এই যেমন ধরুন ৪০তম ওভারের চতুর্থ বলে রুবেলের একটি ফুলটস বলে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন সুরেষ রায়না। ৪০ বলে ৪০ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন তিনি। শটটি খেলেছিলেন ক্রিজ ছেড়ে এসে। টিভি রিপ্লেতে স্পষ্ট দেখা গেছে বলটি ছিল কিছুটা হাঁটুর ওপরে। কিন্তু ইংল্যান্ডের আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড নো বল ডেকে বসলেন। তিনি দেখালেন বলটি ছিল কোমরের ওপরে।
এর আগে মাশরাফির একটি বলে স্পষ্ট এলবিডব্লিউ আউট হলেও ইয়ান গোল্ড সেটিকে আউট দেননি। মাশরাফি রিভিউর আবেদন করলে টিভি আম্পায়ার স্টিভ ডেভিস আউন না দেওয়ার সিদ্ধান্তই বহাল রাখলেন।

Blogger Comment
Facebook Comment